অনলাইনে আরনিং এ এটা হতে পারে আপনার পড়া শেষ টিউন। সব থেকে সহজ পথে প্রতি মাসে ২-৩ হাজার ডলার ইনকামের একমাত্র পথ।

বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং বাজারে যে কাজ গুলার ভেল্যু অনেক বেশি তার মধ্যে আছে ১। ইউটিউব এডসেন্স & মার্কেটিং ২। ওয়েব ডিজাইন & ডেভেলপমেন্ট ৩। গ্রাফিক্স ডিজাইন। ওয়েব ডিজাইন & ডেভেলপমেন্ট এবং গ্রাফিক্স ডিজাইন যদি আপনি একটু টাইম নিয়ে শিখতে পারেন তাহলে এর উপরে আপনি ব্রাইট ফিউচার করতে পারবেন, আউটসোরসিং ও করতে পারবেন আবার অনেক আই টি ফার্ম এও অনেক বেতনের চাকরি করতে পারবেন। এছাড়া আপনি চাইলে বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ শিখে অনেক আইটি ফার্মে এ জব করতে পারবেন। আইটি সেক্টরে জব করতে হলে কম্পিউটার সাইন্সে পড়তে হবে এমন কোনো কথা নেই। আপনি যেকোনো সাবজেক্ট এর ছাত্র হলেও প্রোগ্রামিং এ দক্ষতা থাকলে আপনি আইটি সেক্টরে অনেক জবের অফার পেতে পারেন। বর্তমানে আউটসোরসিং এ সব থেকে ভাইটাল একটা পার্ট হলো ইউটিউব। আপনি দক্ষ না হয়েও অল্প কিছু কাজ শিখে ইউটিউব থেকে অনেক অনেক ইনকাম করতে পারবেন। তবে আইটি সেক্টর বলুন আর যে সেক্টর ই বলুন আপনি যদি কাজ টি ভালো ভাবে শিখে তারপর কাজ শুরু করেন তাহলে আপনি যেকোনো কাজে সফল হবেন শিউর। এই টিউনে আমি কিছু কাজের ধারাবাহিক বিবরন দিচ্ছি নিচেঃ
১। ইউটিউব এডসেন্স & মার্কেটিংঃ
ইউটিউবের মাধ্যমে ২ ভাবে ইনকাম করা যায়। এডসেন্স এবং মার্কেটিং এর মাধ্যমে। আপনি নিজের ক্যামেরা দিয়ে অথবা ভিডিও ক্যাপচার করে ভিডিও বানিয়ে এডসেন্স এর মাধ্যমে ইনকাম করতে পারেন অথবা কোনো প্রোডাক্ট এর মার্কেটিং করেও ইনকাম করতে পারেন। তবে এডসেন্স এ কাজ করাটা সব থেকে ভালো। কারন মার্কেটিং করলে প্রোডাক্ট সেল না হলে আপনি ইনকাম করতে পারবেন না। কিন্তু এডসেন্স এ ভিডিও হলেই আপনার ইনকাম হবে। ইউটিউব এ অনেকে কাজ করতে চাই কিন্তু করতে পারেনা। এর প্রধান কারন শুন্য জ্ঞ্যান এবং শুন্য বাজেট। এই কথা বিবেচনা করেই আপনাকে কিছু বিষয় আগে ভালো ভাবে শিখে দেন কাজ শুরু করতে হবে। আপনাকে কি শিখতে হবে নিচে আমি তার একটা লিস্ট দিচ্ছিঃ
১। একটি প্রফেশনাল YouTube চ্যানেল খুলতে হবে
২। চ্যানেলটি ভালো ভাবে কাস্টমাইজ করতে হবে
৩। Hosted Google AdSense একাউন্ট খুলতে হবে
৪। AdSense কে চ্যানেলের সাথে এড করতে হবে
৫। YouTube ও Google AdSense সম্পর্কে পূর্ণ ধারনা নিতে হবে
৬। কিভাবে একের অধিক চ্যানেলে কাজ করবেন সেটা জানতে হবে
৭। আপনার AdSense একাউন্ট টি সঠিক ভাবে Setting করবেন
৮। একটি প্রফেশনাল মানের ভিডিও টিটটোরিয়াল বানানো শিখতে হবে
৯। ভিডিও এডিটিং করবেন (ভিডিও Intro এবং Outro)
১০। YouTube এ ভিডিও আপলোড এবং ভিডিও মোনিটাইজ সম্পর্কে ধারনা
১১। কোন ভিডিও নিয়ে কাজ করলে দ্রুত সফল হবেন সেটা জানতে হবে
১২। কপিরাইট ভিডিও নিয়ে কাজ করে সফল হওয়ার কৌশল
১৩। YouTube ভিডিও SEO করা জানতে হবে
১৪। ভিডিওর ট্যাগ রিচার্জ করা জানতে হবে
১৫। কিভাবে ভিডিওর View বাড়াবেন সেটা জানতে হবে
১৬। Social Media Marketing করে বিদেশী Visitor Collect করতে হবে
১৭। কিভাবে অতি দ্রুত আপনার চ্যানেলে Subscriber বাড়াবেন সেটা সম্পর্কে ধারনা
১৮। ক্যামেরা ছাড়া কিভাবে খুব ভালো মানের ভিডিও মেক করতে হয় সেটা জানবেন
১৯। কোন ভিডিও নিয়ে কাজ করলে আপনি বেশি সফল হবেন সেটা রিচারস করবেন
২০। পিন ভেরিফিকেশন করবেন
২১। ব্যাংক একাউন্ট অ্যাড করবেন।
২২। কিভাবে ডলার/টাকা Withdraw করবেন বা হাতে পাবেন সেটা সম্পর্কে জানবেন
২৩। ভিডিও র‍্যাঙ্ক করার জন্য বিভিন্ন সফটওয়ার ব্যবহার করা জানবেন
২৪। স্লাইড শো ও অন্যান্য ভিডিও এডিটিং এর কিছু সিক্রেট ট্রিক্স জানার ট্রাই করবেন
২৫। MCN(Multi Channel Network) সম্পর্কে সঠিক ধারণা নেয়ার চেস্টা করবেন
২। ওয়েব ডিজাইন & ডেভেলপমেন্টঃ
ওয়েব ডিজাইন & ডেভেলপমেন্ট শিখতে হলে আপনাকে নিচের বিষয় গুলা সম্পর্কে জানতে হবেঃ
ওয়েব ডিজাইন শিখতে যেসব জানতে হবে
এইচটিএমএল (HTML): এটা একটা মার্ক আপ ল্যাংগুয়েজ, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ নয়, শেখা খুব সহজ।
সিএসএস (CSS): এটাও মার্ক আপ ল্যাংগুয়েজ
ফটোশপ : এখানে যে মুল কাজটি শিখতে হবে তাহল পিএসডি থেকে এইচটিএমএল টেমপ্লেট (PSD to HTML) বানানো এছাড়া ব্যানার, বাটন, এনিমেশন তৈরী করা এসব জানতে হবে। এখানে কিছুটা কম জ্ঞান রাখলেও সমস্যা নেই।
ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখতে যেসব জানতে হবে
এইচটিএমএল, সিএসএস এবং এরপর নিচেরগুলি..
জাভাস্ক্রিপ্ট : এটাকে ব্রাউজার স্ক্রিপ্টিং ও বলা হয় অর্থ্যাৎ এই ল্যাংগুয়েজ দিয়ে লেখা কোড শুধু কোন ব্রাউজারে (যেমন ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, মজিলা ফায়ারফক্স, অপেরা, গুগল ক্রোম ইত্যাদি) কাজ করবে।জাভাস্ক্রিপ্টের ফ্রেমওয়ার্ক দিয়ে দ্রুত কাজ করা যায়। এরুপ একটি ফ্রেমওয়ার্ক জেকোয়েরি টিউটোরিয়াল।
পিএইচপি : এটাকে বলে সার্ভার সাইড স্ক্রিপ্টিং কারন এই ল্যাংগুয়েজ দিয়ে লেখা কোডগুলি শুধু সার্ভারে এক্সিকিউট হয়ে থাকে।
ডেটাবেস : পিএইচপি দিয়ে কিভাবে ডেটাবেস সংযোগ করতে হয়, এসকিউয়েল দিয়ে ডেটাবেস বানানো অর্থ্যাৎ ডেটাবেস ডিজাইন জানতে হবে কারন এখন যেকোন ডাইনামিক সাইটের ডেটাবেস আছে অথবা বলতে পারেন ডেটাবেস থাকতেই হয়। এটা খুব ই জরুরি।
পিএইচপি এর যেকোন একটা ফ্রেমওয়ার্ক যেমন কোডইগনাইটার : (আরও আছে যেমন কেক পিএইচপি, জেন্ড ফ্রেমওয়ার্ক, সিমফনি, ওয়াই আইআই, কোহানা ইত্যাদি একটা শিখলেই এনাফ) : কোন ফ্রেমওয়ার্ক ছাড়াও ওয়েব এপ্লিকেশন তৈরী করতে পারবেন তবে এতে বেশি সময় লাগবে এবং বেশি কোড লিখতে হবে।
এক্সএমএল : API, ছোটখাট ডেটা স্টোরিং ইত্যাদির জন্য এক্সএমএল লাগে।
৩। গ্রাফিক্স ডিজাইনঃ
গ্রাফিক্স ডিজাইন হলো অনলাইন জগতের সবথেকে সম্ভাবনাময় কাজ। প্রতিদিন যেমন এর চাহিদা বাড়ছে তেমন এর কাজের পরিমান অনেক বেশি বাড়ছে। নিচে গ্রাফিক্স ডিজাইন এর কিছু কাজ সম্পর্কে ধারনা দেইঃ
১। লোগো ডিজাইন
২। প্রোডাক্ট হলোগ্রাম ডিজাইন
৩। ইমেজ রিসাইজ এন্ড এডিটিং
৪। ফটো রিটাচিং
৫। স্কেচ ক্রিয়েট
৬। ওয়েব পিএসডি ক্রিয়েট
৭। বিজনেস কার্ড ক্রিয়েট
৮। ব্যানার/টিউনার ডিজাইন
৯। স্টিকার ডিজাইন

ডাউনলোড করতে সমস্যা হলে বা ডাউনলোড করতে না পারলে এখানে দেখুন কিভাবে ডাউনলোড করতে হয়?

কমেন্ট করার জন্য ধন্যবাদ। Conversion Conversion Emoticon Emoticon